ব্রিটিশ হাইকোর্টে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারপতি
ব্রিটেনের ইতিহাসে এই প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত একজন আইনজীবী সে দেশের হাইকোর্টে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি হচ্ছেন ব্যারিস্টার আখলাকুর রহমান চৌধুরী কিউসি।
,
আখলাক চৌধুরী এর আগে হাইকোর্টের ডেপুটি বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দ্বিতীয় ব্যক্তি যিনি ব্রিটেনের কুইন্স কাউন্সিলর (কিউসি) মর্যাদা পেলেন। এর আগে বাংলাদেশের ব্যারিস্টার আজমালুল হোসেন কিউসি ব্রিটেনে এ স্বীকৃতি পান।
১৯৯২ সালে ব্যারিস্টারি পাস করে আখলাকুর রহমান চৌধুরী (৫০) আইন পেশায় যোগদান করেন। তিনি দীর্ঘদিন ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিস, মিনিস্ট্রি অব ডিফেন্স, এইচএমআরসিসহ ব্রিটেনের সরকারের বিভিন্ন বিভাগে আইন উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ব্রিটিশ তথ্য কমিশনারের কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তথ্য অধিকার এবং তথ্য সংরক্ষণ আইনের অনেক মামলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। ২০১৫ সালে তিনি ব্রিটেনের আইন পেশার সম্মানজনক ‘কিউসি’ নির্বাচিত হন।
ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী শেরি ব্লেয়ারও এ সম্মানের অধিকারী হয়েছিলেন।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সপ্নারা খাতুন এর আগে যুক্তরাজ্যের ক্রাউন কোর্ট ও ফ্যামিলি কোর্ট বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেলেও আখলাকুর রহমানই ব্রিটিশ হাইকোর্টের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারক।
বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সপ্নারা খাতুন এর আগে যুক্তরাজ্যের ক্রাউন কোর্ট ও ফ্যামিলি কোর্ট বিচারক হিসেবে নিয়োগ পেলেও আখলাকুর রহমানই ব্রিটিশ হাইকোর্টের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারক।
আখলাকুর চৌধুরী গ্লাসগো ইউনিভার্সিটি থেকে রসায়নে স্নাতক ডিগ্রি নেওয়ার পর ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে আইনে স্নাতক ডিগ্রি নেন। আইন পেশায় যোগদানের পরে তিনি দ্রুত পেশাগত উন্নতি প্রমাণ করেন এবং একপর্যায়ে শীর্ষ পাঁচ হাজার ব্রিটিশ আইনজীবীর তালিকায় চলে আসেন। লর্ড আরভিন অব লেয়ার্গ ও লর্ড জাস্টিস ইলিয়াসের সঙ্গে আপিল আদালতে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। অ্যাটর্নি জেনারেলের ‘এ’ প্যানেলভুক্ত আইনজীবী হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিস, মিনিস্ট্রি অব ডিফেন্স, এইচএমআরসি ও সরকারের অন্যান্য বিভাগে আইন উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন।
আখলাক চৌধুরী কিউসির পৈতৃক বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জে। ১৯৬৭ সালে তাঁর বাবা আজিজুর রহমান চৌধুরী যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। যুক্তরাজ্যেই জন্ম আখলাক চৌধুরীর। তাঁর বাবা ছিলেন স্কটল্যান্ডের এভারডিনের অন্যতম প্রধান রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি সংগঠক হিসেবে বাংলাদেশের পক্ষে কাজ করেন।
,
সূত্র : কালের কণ্ঠ
,
সূত্র : কালের কণ্ঠ